বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১st জুন ২০২১

প্রকল্পসমূহ

 

বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহ

 

(১) এস্টাবলিশমেন্ট অব থ্রি হ্যান্ডলুম সার্ভিস সেন্টারস ইন ডিফারেন্ট লুম ইনটেনসিভ এরিয়া (২য় সংশোধিত)

বাস্তবায়নকালঃ জুলাই ২০১৩ - জুন ২০২১ পর্যন্ত।

দেশের তাঁত অধ্যুষিত এলাকায় তাঁতিদের বয়নপূর্ব ও বয়নোত্তর সেবা যেমন-কাপড় রংকরণ, মার্সারাইজিং, সাইজিং, ক্যালেন্ডারিং, স্টেন্টারিং, ফোল্ডিং ইত্যাদি সেবা প্রদানের  লক্ষ্যে ৩টি সার্ভিস সেন্টার (কালিহাতি, টাঙ্গাইল, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, কুমারখালী) স্থাপন করা হচ্ছে।

ফলাফলঃ

  • প্রকল্প এলাকা এবং আশে পাশের প্রায় ১.৪০ লক্ষ তাঁতি বয়নপূর্ব ও বয়নোত্তর বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারবে।
  • কেন্দ্রসমূহের সার্ভিসিং ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি পাবে অর্থাৎ ৩টি কেন্দ্র হতে মোট ৪৫.০২ লক্ষ কেজি সুতা রংকরণ এবং ২৫.২২ কোটি মিটার কাপড়ে সার্ভিস প্রদান সম্ভব হবে।
  • কাপড় উৎপাদনে ত্রুটির হার হ্রাস পাইবে এবং গুণগতমানসম্পন্ন কাপড় উৎপাদিত হইবে।

 

 (২)  বাংলাদেশের সোনালী ঐতিহ্যমসলিনসুতা কাপড় তৈরির প্রযুক্তি পুনরুদ্ধার (১ম পর্যায়)।

বাস্তবায়নকালঃ জানুয়ারী ২০১৭ - জুন ২০২১ পর্যন্ত।

নিবিড় গবেষণার মাধ্যমে মসলিনের সুতা ও কাপড় তৈরির প্রযুক্তি বের করা, পরীক্ষামূলকভাবে মসলিনের সুতা ও কাপড় তৈরি করা, “বাংলাদেশের সোনালী ঐতিহ্য” মসলিন এর হৃতগৌরব পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পটি গত ১২.০৬.২০১৮ তারিখে মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। এর বিনিয়োগ ব্যয় ১২১০.০০ লক্ষ টাকা।

ফলাফলঃ

  • প্রকল্পের আওতায় নিবিড় গবেষণার মাধ্যমে মসলিনের সুতা ও কাপড় তৈরির প্রযুক্তি উদ্ভাবন সম্ভব হবে।
  • সর্বোপরি, বাংলাদেশের সোনালী ঐতিহ্য মসলিন উৎপাদন সম্ভব হবে।

 

(৩) শেখ হাসিনা তাঁতপল্লি স্থাপন -১ম পর্যায় (১ম সংশোধিত)।

বাস্তবায়নকালঃ জানুয়ারি ২০১৭ - ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত।

প্রকল্প এলাকাঃ শিবচরমাদারিপুরজাজিরাশরিয়তপুর।

উন্নত পরিবেশে তাঁতি এবং তাঁতি পরিবারের আবাসনসহ অন্যান্য নাগরিক সুযোগ সুবিধা প্রদান; দরিদ্র ও প্রান্তিক তাঁতিদের পুনর্বাসন; তাঁতিদের দক্ষতা বৃদ্ধি, বয়নপূর্ব ও বয়নোত্তর সেবা প্রদান এবং উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন; তাঁতিদের ন্যায্য মূল্যে সুতা ও কাঁচামাল সরবরাহ করা; উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণে সহায়তা প্রদান; দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে তাঁত বস্ত্র সরবরাহ; এবং তাঁতিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

ফলাফলঃ

  • প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় ২০১৬ জন তাঁতি পরিবারকে পুনর্বাসনের নিমিত্ত আবাস-কাম-কারখানা স্থাপনের জন্য ফ্ল্যাট ও তাঁত শেড বরাদ্দ প্রদান;
  • ৮০৬৪ টি তাঁত বয়নশেড নির্মাণ করা হইবে। ৮০৬৪ জন তাঁত কারিগরকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান;
  • নারী ও পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ১০ লক্ষ গ্রামীণ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে;
  • বছরে প্রায় ৪.৩১ কোটি মিটার কাপড় উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

প্রকল্পটি গত ১৮.০৯.২০১৮ তারিখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়েছে।

 

(৪) বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের ৫টি বেসিক সেন্টারে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ১টি ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট ও ২টি মার্কেট প্রমোশন কেন্দ্র স্থাপন 

বাস্তবায়নকালঃ জানুয়ারি ২০১৮ - জুন ২০২১ পর্যন্ত।

 

প্রকল্প এলাকাঃ আড়াইহাজার, নারায়নগঞ্জ; টাংগাইল সদর, টাংগাইল; সিরাজগঞ্জ সদর, সিরাজগঞ্জ; মেলান্দহ, জামালপুর; কাহালু, বগুড়া;’ কুমারখালী কুষ্টিয়া;

দেশে দক্ষ বস্ত্র প্রযুক্তিবিদ তৈরি এবং তাঁতিদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণ প্রদান; ভোক্তার রূচি ও পছন্দ এবং পরিবর্তিত বাজার চাহিদা অনুসারে নতুন নতুন ডিজাইন উদ্ভাবন; প্রান্তিক তাঁতিদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বাজারজাত করণের ব্যবস্থা; এবং মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং সর্বোপরি, তাঁতিদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

ফলাফলঃ

  • প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় প্রতি বছর ৫টি কেন্দ্র হতে ৩০০ জন করে মোট ১৫০০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
  • মেলান্দহ, জামালপুর ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট হইতে প্রতি বছর ৫০ জনকে ডিপ্লোমা, ২৪০ জনকে ৮টি কোর্সের উপর সার্টিফিকেট এবং ৫টি শর্ট কোর্সের উপর ১৫০ জনকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

প্রকল্পটি গত ০৭.০৮.২০১৮ তারিখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়েছে।

 

(৫) বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, নরসিংদী কেন্দ্রের বিদ্যমান ডিপ্লোমা কোর্স যুগোপযোগীকরণ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সম্প্রসারণ।

বাস্তবায়নকালঃ জানুয়ারি ২০১৮ - জুন ২০২১ পর্যন্ত।

প্রকল্প এলাকাঃ নরসিংদী সদর , নরসিংদী

বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, নরসিংদীতে ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স যুগোপযোগীকরণ; অবকাঠামোগত সুবিধা সম্প্রসারণ; প্রতি বছর ১০০ জন ছাত্র/ছাত্রীকে ডিপ্লোমা ডিগ্রি প্রদানের লক্ষ্যে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

ফলাফলঃ

  • প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় ১০০ জন শিক্ষার্থীকে ডিপ্লোমা ডিগ্রী প্রদান সম্ভব হবে;
  • নারী ও পুরুষ মিলিয়ে বহু লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে;
  • গুণগত মানসম্পন্ন কাপড়ের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে;
  • দেশের বস্ত্র খাত তথা তৈরি পোশাক শিল্পে এর অবদান বৃদ্ধি পাবে।

প্রকল্পটি গত ২৩.১০.২০১৮ তারিখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়েছে।

 

(৬) দেশের তাঁতিদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে চলতি মুলধন সরবরাহ অচালু তাঁত চালু করা এবং তাঁতের আধুনিকায়ন।

বাস্তবায়নকালঃ জালাই ২০১৮ - জুন ২০২৩ পর্যন্ত।

প্রকল্প এলাকাঃ পার্বত্য জেলাসমূহ ব্যতিত বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের আওতাধীন ৩০ টি বেসিক সেন্টারের ভৌগলিক এলাকা।

তাঁত  খাতের উৎপাদন এবং তাঁতিদের আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে তাঁতিদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন; আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও তাঁতিদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন; দেশের নারী তাঁতিদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

ফলাফলঃ

  • প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় ৩৪৬৫০ টি তাঁতের অনুকূলে তাঁতিদের মাঝে ঋণ বিতরণ সম্ভব হবে;
  • ১৫০০ টি তাঁতকে আধুনিকায়ন করা হবে;
  • বিপুল পরিমাণ গ্রামীণ নারী ও পুরুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে;
  • ১০ হাজার তাঁতিকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে;
  • ১১৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আইটি-র উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে;
  • বছরে প্রায় ৫ কোটি মিটার কাপড় উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে;
  • জাতীয় অর্থনীতিতে প্রায় ১০০ কোটি টাকার মূল্য সংযোজন হবে।

 

প্রকল্পটি গত ০৫.০৩.২০১৯ তারিখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়েছে।

 

(৭) শেখ হাসিনা নকশি পল্লিজামালপুর

বাস্তবায়নকালঃ জুলাই ২০১৮ - জুন ২০২২ পর্যন্ত 

প্রকল্প এলাকাঃ জামালপুর

ফলাফলঃ

  • বর্তমানে উৎপাদিত নকশি পণ্য ১০ লাখ পিছ হতে বৃদ্ধি পেয়ে ৩০ লাখ পিছে উন্নীত হবে।
  • বর্তমানে উদ্যোক্তার সংখ্যা ৩০০ হতে বৃদ্ধি পেয়ে ৯০০ জনে উন্নীত হবে।
  • রপ্তানির পরিমাণ বছরে ২ কোটি টাকা হতে বৃ্দ্ধি পেয়ে বছরে ১০ কোটি টাকায় উন্নীত হবে।
  • বর্তমান কর্মসংস্থান ৩ লক্ষ হতে বৃদ্ধি পেয়ে ৬ লক্ষে উপনীত হবে।
  • প্রশিক্ষিত কর্মী ৩ লক্ষ হতে ৬ লক্ষ হবে।
  • আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে ও রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। তাঁদের উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে তাঁদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। ফলে দারিদ্রতা হ্রাস পাবে।

প্রকল্পটি গত ১২.০৩.২০১৯ তারিখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়েছে।

 

 

অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পসমূহ

 

১) বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড কমপ্লক্সে স্থাপন, মিরপুর, ঢাকা;

২) বঙ্গবন্ধু বস্ত্র ও পাট যাদুঘর, জামদানি শিল্পের উন্নয়নে প্রদর্শনী কাম বিক্রয় কেন্দ্র এবং ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট স্থাপন;

৩) ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল শাড়ির উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন;

৪) তাঁতজাত পণ্যের বহুমুখীকরণ;

৫) পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার উপজাতীয় তাঁতিদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, প্রদর্শনী কাম বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন এবং ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ কর্মসূচি;

৬) তাঁতজাত পণ্য বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার উন্নয়নের বিভাগীয় শহরসমূহে প্রদর্শনী-কাম-বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন;

৭) জামদানি ভিলেজ স্থাপন।

 
 
বাস্তবায়িত প্রকল্পসমূহ

 

(১) সিলেটের মনিপুরী তাঁত শিল্পের উন্নয়নে প্রশিক্ষণ, নক্সা উন্নয়ন, তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন :

সিলেটের মনিপুরী তাঁতীদেরকে উন্নত প্রযুক্তিতে বয়ন ও রংকরণ, নক্সা ও প্রিন্টিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান, তাঁতীদের উৎপাদিত বস্ত্র প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিপণনের লক্ষ্যে ৩১৬.৭৭ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ ব্যয়ে  প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ৬০০ জন মনিপুরী তাঁতীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া তাঁতীদের উৎপাদিত বস্ত্র বিপণনের সুবিধার্থে সিলেটের জিন্দাবাজারস্থ ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সিটিতে একটি প্রদর্শনী-কাম-বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পটি ইতোমধ্যে রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত হয়েছে।

 

(২) রংপুর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বেসিক সেন্টার ও প্রদর্শনী-কাম-বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন:

রংপুর ও পার্শ্ববর্তী জেলাসমূহের তাঁতীদের উন্নয়নের জন্য ৩৮৭.১৭ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ ব্যয়ে প্রকল্পটি ২০০৮-২০০৯ অর্থ বছরে শুরু হয়ে জুন, ২০১১ মাসে সমাপ্ত হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ৫০০ জন তাঁতীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্পটি ইতোমধ্যে রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত হয়েছে।

 

(৩) তাঁতিদের জন্য ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি: 

৫০১৫.০০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে “তাঁতিদের জন্য ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি” শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের বিতরণকৃত টাকায় অর্জিত সুদ হতে ঘূর্ণায়মান তহবিল হিসেবে ঋণ কার্যক্রমকে অব্যাহত রাখা হয়েছে।

  • ২০১৫-১৬ অর্থ বৎসরে জুন,২০১৬ পর্যন্ত ১,২০৮ জন তাঁতীকে ৩,৩২২ টি তাঁতের অনুকূলে ৪০৪.৭৮ লক্ষ টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে এবং ৩৪২.৫২ লক্ষ টাকা আদায় করা হয়েছে।
  • প্রকল্পের শুরু থেকে জুন, ২০১৬ পর্যন্ত ৪১,৬৫৯ জন প্রান্তিক তাঁতীকে ৫৭,৫২৩ টি অচল তাঁত সচল করার লক্ষ্যে ৬৫৭৭.০০ লক্ষ টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে এবং ৪৪১৩.৩৫ লক্ষ টাকা আদায় করা হয়েছে। আদায়ের হার ৬৭.৮৯%।
  • উক্ত কর্মসূচির আওতায় সরকারের কাছ থেকে প্রাপ্ত ৪৮৭৪.৪৪ লক্ষ টাকার মধ্যে জুন, ২০১৬ পর্যন্ত মোট ৩৮৮৩.৮২ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে।​

 

(৪তাঁত বস্ত্রের উন্নয়নে ফ্যাশন ডিজাইন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং ১টি বেসিক সেন্টার স্থাপন (৩য় সংশোধিত):

বাস্তবায়নকালঃ জুলাই ২০১০ - জুন ২০১৭ পর্যন্ত।

অধিক উৎপাদনের লক্ষ্যে তাঁতিদের দক্ষতা এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ, বাজারের চাহিদা এবং ভোক্তার পছন্দ অনুযায়ী নতুন নতুন ডিজাইন উদ্ভাবন, বস্ত্রদপ্তরের ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষক এবং প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে প্রকল্পের আওতায় নরসিংদী সদরে একটি ফ্যাশন ডিজাইন ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং টাংগাইলের কালিহাতী, সিরাজগঞ্জের বেলকুচি এবং মৌলভী বাজারের কমলগঞ্জে ৩টি প্রশিক্ষণ উপকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

ফলাফলঃ

  • প্রকল্পের আওতায় ৪টি ইনস্টিটিউট/কেন্দ্র হতে বছরে ২৪০০ জন তাঁতিকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা সম্ভব হবে। ফলে তাঁতিদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
  • ৩ বছরে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ২১৬০০ জন লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
  • বছরে প্রায় ৪.৩২ কোটি মিটার কাপড় উৎপাদন সম্ভব হবে।

 

(৫) ব্যালেন্সিং মডার্নাইজেশন রিনোভেশন এন্ড এক্সপানশন (বিএমআরই) অব দ্যা এক্সিসটিং ক্লথ প্রসেসিং সেন্টার এ্যাট মাধবদী, নরসিংদী (২য় সংশোধিত)।

বাস্তবায়নকালঃ জুলাই ২০১৩ - জুন ২০১৯ পর্যন্ত।

ফলাফলঃ

  • প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হইলে প্রকল্প এলাকা এবং আশে পাশের প্রায় ১.০০ লক্ষ তাঁতি বয়নপূর্ব ও বয়নোত্তর বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারবে।
  • কেন্দ্রের বর্তমান বাৎসারিক সার্ভিসিং ক্যাপাসিটি ৩.৬৮ কোটি মিটার হতে বৃদ্ধি পেয়ে ১৭.১০ কোটি মিটারে দাঁড়াবে।
  • কাপড় উৎপাদনে ত্রুটির হার হ্রাস পাবে এবং গুণগতমানসম্পন্ন কাপড় উৎপাদিত হবে।

Share with :

Facebook Facebook